World’s Largest Country is..

A. India

B. China

C. Russia

D. U. S. A

Answer

Advertisements
Posted in Uncategorized | Leave a comment

★THE MOST BEAUTIFUL RIVER IN THE WORLD: CANO CRISTALES

Guayabero নদীর উপনদী Cano Cristales নদীটি Colombia-য় অবস্থিত। নদীটির দৈর্ঘ্য 100 km এবং প্রস্থ 20 m. নদীটি পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর নদী নামে পরিচিত। নদীটি লাল, হলুদ, সবুজ কালো ও নীল রঙের অ্যালগির মিশ্রনে তৈরি। তাই নদীকে Five Colors River বলা হয়। নদীটি Liquid Rainbow নামেও পরিচিত।

Posted in Uncategorized | Leave a comment

THE SEA OF STARS, VADOO ISLAND

  • Ek Villen সিনেমার একটি গানের শুটিং-এর একটি দৃশ্যে দেখা গিয়েছিল যে, সমুদ্রের জল নীল রঙের তারাদের মতো ঝিকমিক করছে। আসলে এই সমুদ্রটি মালদ্বীপের Vadoo Island-এ অবস্থিত।

  • এই সমুদ্রের জল কেবল রাত্রিবেলায় নীল রঙের আলোয় ঝিকমিক করে। বিজ্ঞানীদের মতে, এখানকার সমুদ্রের জলে Bioluminesence Phytoplankton নামক একপ্রকার সামুদ্রিক অনুজীব বাস করে। যাদের দেহ থেকে একধরণের রাসায়নিক পদার্থ নির্গত হয় যা বাতাসের অক্সজেনের সংস্পর্শে এসে জ্বলজ্বল করে। যা কেবল রাতের আঁধারেই দৃষ্টিগোচর হয়।।
Posted in Ocean & Sea, Uncategorized | Leave a comment

THE GREAT BLUE HOLE

The Great Blue Hole হল একটি ডুবন্ত সিঙ্কহোল (Submarine Sinkhole)। এটি বেলিজ সিটি (Belize City)-র মূল ভূখণ্ড থেকে 100 Km (62 Miles) দূরে Lighthouse Reef (Atoll) এর মধ্যে অবস্থিত।

image

প্রায় গোলাকার The Great Blue Hole এর আয়তন প্রায় 1000 ft (300m) এবং গভীরতা প্রায় 400 ft (124m)।

এই সিঙ্কহোলের সৃষ্টি হয়েছিল প্রায় 15,000 বছর আগে অর্থাৎ শেষ হিমযুগে (Quarternary হিমযুগে)। যখন সমুদ্রজল তল বর্তমানের তুলনায় 330-390 ft (100-200 m) নীচে ছিল, তখন প্রাকৃতিক ভাবে এটির সৃষ্টি হয়েছিল। হিমযুগের পরে সমুদ্রজল তলের উচ্চতা বাড়তে থাকে এবং চমকপ্রদ গর্ত Blue Hole এ রূপান্তরিত হয়।

মজার ব্যাপার হল এই Blue Hole এর তাপমাত্রা সর্বদা 24 ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে।

বর্তমানে এটি Popular Driving Spot হিসাবে পরিচিত।।

Posted in Uncategorized | Leave a comment

রিও নিগ্রো এবং সলিমস নদী

→বিশ্বের বৃহত্তম নদী আমাজনের বেশির ভাগ অংশটিই প্রবাহিত হয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার ব্রাজিলের মধ্যে দিয়ে। রিও-নিগ্রো (Rio-Negro) এবং সলিমস (Solimoes), আমাজনের দুটি বৃহত্তম উপনদী। যা আসলেই কিছুটা বিস্ময়কর!! কারণ,এ দুটি উপনদীর জলের রং ভিন্ন আর প্রবাহিত হয়ে একই জায়গায় এসে মিলিত হয়েছে। আবার হয়ও নি।

image

→ আসলে রিও-নিগ্রো এবং সলিমস উপনদীর জল কখনোই মেশে না। খুব সহজেই আলাদাভাবে চিহ্নিতকরা যায়। উত্তর ব্রাজিলের ম্যানাউস শহর থেকে প্রায় 10 কিলোমিটার দূরে, পেরুর সীমান্তে কাছাকাছি রিও-নিগ্রো এবং সলিমসের মোহনা। অনেকে এই নদীর মোহনাকে “Meeting of Waters” বলে আখ্যায়িত করেছেন।
→ উপনদী দুটোর ছবি দেখলে যে কেউ চমকে উঠবে, মনে হবে যেনো দু’রকমের কার্পেট বিছিয়ে রাখা হয়েছে। হালকা রঙিন জলের উপনদীটি হলো সলিমস (Solimoes)। আন্দিজ পর্বত থেকে আমাজনের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আসা জলের সাথে পলি মাটি,কাদা,বালিরমিশ্রণ এই উপনদীকে অনেকটা ফ্রেঞ্ছ কফি-এর মত রং উপহার দিয়েছে। একে ‘সাদা জলের নদী‘ অথবা “white water river” ও বলা হয়ে থাকে। প্রায় 80 কিলোমিটার চওড়া সলিমস1600 কিলোমিটার পর্যন্ত প্রসারিত।

image

→ছবিতে গাঢ় অন্ধকারাচ্ছন্ন জলের নদীটি হলো রিও-নিগ্রো (Rio Negro), প্রায় 2253 কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই উপনদীর 850 কিমি ব্রাজিলের মধ্যে দিয়ে বয়ে চলেছে। এর কিছু অংশ আবার কলম্বিয়া ও ভেনেজুয়েলার মাঝে আন্তর্জাতিক সীমান্ত হিসেবে কাজ করছে। আমাজনের ভিতরে বয়ে চলা এই উপনদীর জলের সাথে দ্রবীভুত আর মিশ্রিত হওয়া পত্রক,গুল্ম,লতাপাতা,উদ্ভিদের জন্যই এর রং কালো চায়ের লিকারের মতন। প্রায় 800-900 প্রজাতির মাছ এইউপনদীতে পাওয়া যায়। অদ্ভুত হলেও সত্যি যে, রিও নিগ্রো নদীনালা জল কোনরূপ পলল মাটি বহন করেনা। ইউরোপীয়ান স্পেস এজেন্সির (EuropeanSpace Agency), মতে রিও নিগ্রো হলো বিশ্বের সবচেয়ে পরিষ্কার প্রাকৃতিক জলের নদীগুলোর মধ্যে একটি। মেঘমুক্ত সূর্যস্নাত দিনে,রিও-নিগ্রোনদীর নিচে 9 মিটারেরও বেশি অবলোকন করা যায়।
→এখন জেনে নিই, রিও-নিগ্রো এবং সলিমসের এরূপ আচরণের কারণ। এদের অমিশ্রিত থাকার কারণ হলো, নদীদুটোর মধ্যে জলের তাপমাত্রা, প্রবাহমান জলের বেগ আর জলের ঘনত্বের তীব্র পার্থক্য। সলিমস হলো রিও-নিগ্রোর চাইতে দ্রুত গতির,অধিক ঘনত্বের,অতিমাত্রায় ঠান্ডা জলেরউপনদী, যা 22 ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ঘন্টায় 4-6 কিলোমিটার বেগে বয়ে চলে। অন্যদিকে,উষ্ণতরও তুলনামূলকভাবে মন্থর গতির রিও-নিগ্রো বয়ে চলে ঘন্টায় 2 কিলোমিটার এবং জলের তাপমাত্রা প্রায় সবসময়ই 28 ডিগ্রী সেলসিয়াস থাকে। এই তারতম্যগুলোর জন্যই জলের মিশ্রণ ভালোভাবে হতে পারে না।এই দুটি উপনদী পাশাপাশি প্রায় 6 কিলোমিটারেরও বেশি প্রবাহিত হয়েছে।।

Posted in Uncategorized | Leave a comment

THE NEWEST NATIONAL PARK

image

   ABGS: আমাজন অববাহিকারর মধ্যভাগে, ব্রাজিল ও পেরুর সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত পৃথিবীর নতুনতম National Park, Sierra Del Divisor. যেটি সৃষ্টি হয়েছে 8th November, 2015 সালে। এই National Park এর ক্ষেত্রফল 1.3 মিলিয়ন হেক্টর, যা কিনা Yosemite & Yollowstone National Park সম্মিলিত ক্ষেত্রফলেরর তুলনায় বড়ো।

image

     এই National Park টি গঠিত হয়েছে – কিছু জলপ্রপাত, আগ্নেয় শঙ্কু, বন্য নদী, প্রত্যন্ত হ্রদ, গিরিখাত এবং অবশ্যই নিরক্ষীয় বৃষ্টি অরণ্য নিয়ে।

image

image

image

image

image

image

এখানকার সবচেয়ে বৈচিত্র্যময় ভূমিরূপ হল ‘El Cono’ নামক একটি আগ্নেয় শঙ্কু, যা আমাজনের বৃষ্টি অরণ্য দ্বারা বেষ্টিত। যার উচ্চতা 1600 ফুট।

image

image

   Unique ভৌগোলিক গঠনের জন্য এটি জীববৈচিত্র্যে পরিপূর্ণ। যদিও দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চল হওয়া সত্ত্বেও এখানে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে, তবু এখানে এমন কিছু প্রজাতির সন্ধান পাওয়া গেছে যা পৃথিবীর অন্য কোথাও নেই।
   এই National Park এ এমন কিছু উপজাতি বাস করে যারা আধুনিক পৃথিবী থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন।  এখানে প্রায় 300-500 জন আধিবাসী বাস করে।

image

    The Red Uakari Monkey-র (IUCN এর তথ্য অনুযায়ী সংকটাপন্ন তালিকাভুক্ত) একমাত্র আবাসস্থল হল Sierra del Divisor.

image

    The Cock of the Rock একমাত্র এখানেই পাওয়া যায়।।

image

LIKE OUR FB PAGE→ALL BENGAL GEOGRAPHY STUDENTS

Posted in Park | Leave a comment

MAN MADE FLOATING ISLAND

image

    ABGS: চারিদিকে জলভাগ দিয়ে ঘেরা স্থলভাগকে দ্বীপ বলে। প্রকৃতিতে এরকম হাজার হাজার দ্বীপ রয়েছে। কিন্তু আজ আপনাদের সাথে এমন এক দ্বীপের পরিচয় করিয়ে দেবো যেটি কিনা তৈরি হয়েছে সম্পূর্ণ মানুষদের দ্বারা। আর মজার ব্যাপার হল এই দ্বীপ জলের উপর সম্পূর্ণ ভাসমান এবং সহজে স্থান পরিবর্তন করতে পারে।

image

image

        এই Man Made Floating Island রয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার টিটিকাকা হ্রদে।ছোটো ছোটো প্রায় 48 টি দ্বীপ নিয়ে তৈরি হয়েছে এই বিশাল দ্বীপপুঞ্জ। প্রায় 14 শতক থেকে “উরু (Uru)” নামক প্রাচীন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ এই দ্বীপ বানিয়ে তাতে বসবাস শুরু করে প্রধানত আত্মরক্ষার তাগিদে। কারণ এই অঞ্চলে বসবাসকারী আরও এক জাতিগোষ্ঠী, যাদের নাম “আইমারা ইন্ডিয়ান (Aymara Indians)”, যারা উরুদের তুলনায় শক্তিশালী।

image

ALL BENGAL GEOGRAPHY STUDENTS
      এই দ্বীপ তৈরি হয়েছে মূলত আখ জাতীয় গাছ দিয়ে, যার স্থানীয় নাম “টরটোরা (Totora)“। এছাড়াও থাকে বিভিন্ন গাছের মূল, কাণ্ড – যা এই দ্বীপকে আরও সুদৃঢ় করেছে। যেহেতু দ্বীপটি গাছের ডালপালা, কাণ্ড, মূল ইত্যাদি দিয়ে তৈরি এবং সর্বদাই জলে ভাসমান থাকে তাই কয়েক মাস অন্তর পুরানো ডালপালা বদল করতে হয়। আর এই দ্বীপের ওপর নির্মিত ঘরগুলি এবং পরিবহনের মাধ্যম নৌকা গুলিও টরটোরা নামক আখ জাতীয় গাছ দিয়ে তৈরি।

image

image

     এই প্রসঙ্গে বলে রাখি বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে সমুদ্র জলতলের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে মালদ্বীপ, তুলুভ এর মতো দ্বীপ রাষ্ট্রগুলির সংকটাপন্ন। এই জন্য জাপান, অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলি কৃত্রিম ভাবে দ্বীপ নির্মাণে উদ্যোগ নিলেও সেগুলি ব্যয়বহুল এবং বাস্তুতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতাকারক।।।

Posted in Amazing | Tagged | Leave a comment